Thursday, 14 August 2025

সোনার মানুষ উদয় হলো সোনার নদীয়ায়


তোরা দেখবি যদি আয় সোনার মানুষ উদয় হলো সোনার নদীয়ায়
ও তার রাঙা পায়ে সোনার নুপুর
হাঁসে কান্দে নাচে গায়।। সোনার নদীয়ায়
দেখবি যদি আয় সোনার মানুষ উদয় হলো সোনার নদীয়ায়
 
সখীগো..... নয়ন বাকা ভঙ্গি বাকা, গৌরায় ব্রজের ভাব বোঝায়।।
ও মুখে জয় রাধা শ্রী রাধা বলে, ধুলায় গড়াগড়ি যায়।।
ও আরে ধুলায় গড়াগড়ি যায়, সোনার নদীয়ায়
দেখবি যদি আয় সোনার মানুষ উদয় হলো সোনার নদীয়ায়
 
সখীগো..... দেহ মন প্রাণ সঁপিলাম, তারই রাঙা পায়।।
ও দীন গৌরাঙ্গ কয় সঙ্গে যাইতাম, নিবোনি তোর গৌর রায়।।
আরে নিবনি গো গৌর রায়।। সোনার নদীয়ায়
দেখবি যদি আয় সোনার মানুষ উদয় হলো সোনার নদীয়ায়

কথা ও সুরঃ গৌরাঙ্গ পাল

চলো গুরু যাই দুজন পারে

আমার একলা যেতে ভয় করে, চলো গুরু যাই দুজন পারে
ভবে যেতে গুরু আসতে গুরু, গুরু আমার যা করে।।
চলো গুরু যাই দুজন পারে

এই দেহ ছিল শ্মশান সমান, গুরু এসে মন্ত্র দিয়ে করলো ফুল বাগান।।
এখন সেই বাগানে ফুল ফুটেছে।। অধরচাঁদ বিরাজ করে (গুরু)।।।
চলো গুরু যাই দুজন পারে

ঐ পারের নাবিক আছে ছয়জনা, পারের কড়ি না থাকিলে নৌকায় নেবে না।।
এখন ভবপারে যাই কি করে।। তুমি নাও মোরে কৃপা করে (গুরু)।।।
চলো গুরু যাই দুজন পারে 

ব্রজ–গোপী খেলে হোরী

ব্রজ–গোপী খেলে হোরী।।
খেলে আনন্দ নবঘন শ্যাম সাথে।
 
পিরীতি–ফাগ মাখা গোরীর সঙ্গে, হোরি খেলে হরি উন্মাদ রঙ্গে।
বসন্তে এ কোন্ কিশোর দুরন্ত।।
রাধারে জিনিতে এলো পিচ্‌কারী হাতে।। ব্রজ–গোপী খেলে হোরী
 
গোপীনীরা হানে অপাঙ্গ খর শর ভ্রুকুটি ভঙ্গ
অনঙ্গ আবেশে জর জর থর থর শ্যামের অঙ্গ।
 
শ্যামল তনুতে হরিত কুঞ্জে
অশোক ফুটেছে যেন পুঞ্জে পুঞ্জে।।
রঙ–পিয়াসি মন ভ্রমর গুঞ্জে
ঢালো আরো ঢালো রঙ প্রেম–যমুনাতে।। ব্রজ–গোপী খেলে হোরী

কথা ও সুরঃ কাজী নজরুল ইসলাম

গভীর নিশীথে ঘুম ভেঙ্গে যায়

 গভীর নিশীথে ঘুম ভেঙ্গে যায়, কে যেন আমারে ডাকে —
সে কি তুমি, সে কি তুমি?
কার স্মৃতি বুকে পাষাণের মত, ভার হয়ে যেন থাকে —
সে কি তুমি, সে কি তুমি?
 
কাহার ক্ষুধিত প্রেম যেন, হায়, ভিক্ষা চাহিয়া কাঁদিয়া বেড়ায়।।
কার সকরুণ আঁখি দু’টি যেন, রাতের তারার মত
মুখপানে চেয়ে থাকে – সে কি তুমি, সে কি তুমি?
 
নিশির বাতাস কাহার হুতাশ দীর্ঘ নি:শ্বাস সম
ঝড় তোলে এসে অন্তরে মোর, ওগো দুরন্ত মম।
সে কি তুমি, সে কি তুমি?
 
মহাসাগরের ঢেউয়ের মতন, বুকে এসে বাজে কাহার রোদন,
‘পিয়া পিয়া’ নাম জপে অবিরাম বনের পাপিয়া পাখি
আমার চম্পা শাঁখে – সে কি তুমি, সে কি তুমি?

কথাঃ কাজী নজরুল ইসলাম
সুরঃ কমল দাসগুপ্ত

জাগো জাগো শঙ্খ চক্র-গদা-পদ্ম-ধারী

 

জাগো জাগো শঙ্খ চক্র-গদা-পদ্ম-ধারী
জাগো শ্রীকৃষ্ণ-কৃষ্ণা তিথির তিমির তাপসহারি।।
 
ডাকে বসুদেব দেবকী ডাকে
ঘরে ঘরে, নারায়ণ, তোমাকে।
ডাকে বলরাম শ্রীদাম সুদাম ডাকিছে যমুনা-বারি।।
জাগো জাগো শঙ্খ চক্র-গদা-পদ্ম-ধারী
 
হরি হে, তোমায় সজল নেত্রে
ডাকে পাণ্ডব কুরুক্ষেত্রে!
দুঃশাসন সভায় দ্রৌপদী ডাকিছে লজ্জাহারী।।
 
মহাভারতের হে মহাদেবতা
জাগো জাগো, আনো আলোক-বারতা!
ডাকিছে গীতার শ্লোক অনাগতা বিশ্বের নর-নারী।।
জাগো জাগো শঙ্খ চক্র-গদা-পদ্ম-ধারী
জাগো শ্রীকৃষ্ণ-কৃষ্ণা তিথির তিমির তাপসহারি।।

কথা ও সুরঃ কাজী নজরুল ইসলাম

হরি বলতে কেন নয়ন ঝরে না

 

হরি বলতে কেন নয়ন ঝরে না

তা না হলে হরি আমায় দেখা দেবে না

 

তোমার খাই তোমার পরি, তোমার তবিল লাড়ি-চাড়ি

হরি তোমায় চিনলাম না, হরি বলতে কেন নয়ন ঝরে না

হরি বলতে কেন নয়ন ঝরে না

তা না হলে হরি আমায় দেখা দেবে না

 

ভাই বন্ধু দারা-সুত, কেউ নাই হরি তোমার মত।।

 

মুকুন্দ দাস বলছে হরি, নিদান কালে যেন ডাকতে পারি।।

তখন বাঁমে লয়ে রাই-কিশোরি।।চরণ দিতে ভুলো-না

হরি বলতে কেন নয়ন ঝরে না

তা না হলে হরি আমায় দেখা দেবে না


কথা ও সুরঃ মুকুন্দ দাস

এখনো সেই বৃন্দাবনে, বাঁশি বাজে রে

এখনো সেই বৃন্দাবনে, বাঁশি বাজে রে
ঐ বাঁশি শুনে বনে বনে, ময়ূর নাচে রে।।

এখনো সেই রাধারাণী, বাঁশির সুরে পাগলিনী।।
অষ্টসখীর শিরমণি।। নব সাজে রে।।
এখনো সেই বৃন্দাবনে, বাঁশি বাজে রে।
ঐ বাঁশি শুনে বনে বনে, ময়ূর নাচে রে।।

এখনো সেই ধেনুগুলি, গোচারণে উড়ায় ধূলি।।
সব রাখালে হুলাহুলি।। নব সাজে রে।।
এখনো সেই বৃন্দাবনে, বাঁশি বাজে রে।
ঐ বাঁশি শুনে বনে বনে, ময়ূর নাচে রে।।

আশা ছিল মনে মনে, যাব আমি বৃন্দাবনে।।
ভবা পাগলা মায়ের কোলে, কোন সাধনায় রে।
এখনো সেই বৃন্দাবনে, বাঁশি বাজে রে।
ঐ বাঁশি শুনে বনে বনে, ময়ূর নাচে রে।।

কথা ও সুরঃ ভবেন্দ্রমোহন রায় চৌধুরী (ভবা পাগলা)

সোনার মানুষ উদয় হলো সোনার নদীয়ায়

তোরা দেখবি যদি আয় সোনার মানুষ উদয় হলো সোনার নদীয়ায় ও তার রাঙা পায়ে সোনার নুপুর হাঁসে কান্দে নাচে গায় ।। সোনার নদীয়ায় দেখবি যদি আয় সোনার মানু...